শান্তির ধর্ম প্রকৃত ইসলামের উপর একটি অন্যন্য সাধারন ওয়েবসাইট


হিন্দুরা মুর্তি পুজা কেন করে?


মুর্তি পুজা হিন্দুরা কেন করে? ধরুন একজন বিশিষ্ঠ লোকের নামে একটা পার্ক করা হোলে সেখানে তার একটি মুর্তি প্রতিষ্ঠা করা হোলো সেই মুর্তি একটি নির্দিষ্ট স্থানে বাসানো হোলো, তার গলায় ফুলের মালা দিয়ে তাকে সন্মান জানানো হোলে, এই ব্যক্তিটি দেখলো তার নামে পার্ক করা হয়েছে, তার মুর্তির গলে ফুলের মালা দিয়ে তাকে সন্মান জানানো হচ্ছে, সে খুসি হবে তার নাম ছড়িয়ে পড়বে সে আরো খুসি হবে, কিন্তু যদি, তার মুর্তিতে জুতার মালা পরিয়ে রাখা হয়, তাহলে সে অখুসি হবে সে দু:ক্ষ পাবে। কিন্তু তার গলে জুতার মালা দেওয়া হয়নি, দেওয়া হয়েছে তার মুর্তির গলে।

Hindu god shiva

তেমনি ঈশ্বরের একটি রুপ বানিয়ে তাকে সন্মান জানালে ঈশ্বর খুসি হয়, যে যে রুপে তাকে পতিষ্ঠিত করা হয় সে সে রুপেই ভক্তকে দেখা দেয়। হিন্দুরা কি সাধ করে মুর্তি পুজা করে। নিরাকার ঈশ্বর সাকার হয় কখন, ভক্তের প্রেম ভক্তির দ্বারায়, তাকে পাওয়া সহজ ব্যাপার নয়, রাম প্রসাদের বেড়া মাকালি এসে বেধে দেয়, থালার প্রসাদ খাওয়া রাম কৃষ্ণ।

এ রকম কেউ পেয়েছেন ইসলাম ধর্মে আল্লাহ এসে দেখা দেয়। যেমন বাতাসে শূন্যে জল আছে তাকে কখন দেখা যায়, যখন অনেক ঠান্ডা পড়ে সেই নিরাকার জল বরফ হয়ে সাকারে দেখা যায়, তেমন কঠিন সাধনায় ভগবানকে দেখা যায়, মুসলমানরা সাধনার দ্বারায় আল্লার নাগাল পাই নাই তাই বলে আল্লাহ নিরাকার। শেয়াল গাছে উঠতে পারে না দেখে, গাছের নিচে দাড়িয়ে লালোসা চাপিয়ে বলে আংগুর ভারি টক। ইসলামে আল্লাকে নাগালে না পেয়ে বলে আল্লাহ নিরাকার্। মনে হিংসা থাকলে প্রেম ভক্তি না থাকলে আল্লাহ কি মেলে। মনো করো তুমি বিড়ি কিনবা সিগারেট খাবে, তোমাকে কিনতে হবে সাকার এক দেশলাই, বারুদ কাঠি দিয়ে তার পিস্টে ঘষা দিলে নিরাকার আগুন সাকার হয়ে জ্বলে।

ফাকা জায়গায় আগুন বলে চিতকার করিলে অবল্মন না থাকিলে আগুন কি আর মেলে। ভগবানকে পেতে হলে করতে হবে তার এক সাকার মুর্তি মনে ভক্তি বারুদে সাধনায় ঘষা দিলে তখনই তো নিরাকার ঈশ্বর সাকারে দেখা দেবে। ফাকা ঘরে আল্লাহ বলে পাচ বার মাথায় ঠুক মারিলে আল্লাহ তুমি কোথায় পাবে। পৃথীবিতে সনাতন হিন্দু ধর্মই শ্রেষ্ট ধর্ম, সনাতন ধর্মে নেই কারো মনে হিংসা তারা সব ধর্মকে সন্মান করে তারা বিশ্বাস করে মানুষের ভিতর ঈশ্বর বাস করে তাই তারা মানুষকে ভালবাসে। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সবিছে ঈশ্বর্।

শোন মুসলমান, একজন মুসলমান যদি বলে তোমাদের মন্দিরের বারান্দায়, আমি একটু নামাজ পড়বো, হিন্দুরা বাধা দেবে না, তারা যানে সেই ঈশ্বরের আরাধনা করছে, যদি কোন হিন্দু বলে হে মুসলমান ভাইরা আমরা তোমাদের মসজিদে গিয়ে একটু খোল করতাল দিনে, আমারা হরিনাম করবো, করতে দিবেন কোন মুসলমান, দিবেন না তোমরা ভাববা হিন্দুরা মুর্তি পুজারি শয়তানের আরাধনা করবে মসজিদে, এদের মনে কি হিংসা ভাবুন।

আমরা হিন্দুরা আল্লাহ রাসুল বলে চিতকার করতে পারি, আমাদের বাধা নাই। পারবে কোন মুসলমান হরে কৃষ্ণ বলে চিতকার করতে, পারবে না, তাদের মনে হচ্ছে হিংসার বিষ। তাই হিন্দু শ্রেষ্ট ধর্ম যুগে যুগে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

*