শান্তির ধর্ম প্রকৃত ইসলামের উপর একটি অন্যন্য সাধারন ওয়েবসাইট


অন্ধবিশ্বাসী গোড়া হিন্দু আর নিষিদ্ধ গরুর মাংশ


ভারতের মৌলবাদী হিন্দু সরকার বিভিন্ন রাজ্যে গরুর মাংশ নিষিদ্ধ করছে যার ঢেউ এমনকি বাংলাদেশেও এসে লাগছে কারন ভারত থেকে অনেক গরু আমরা আমদানী করি বলেই গরুর মাংশ খেয়ে এতদিন বেশ ভালই ছিলাম! ওই নিষেদ্ধাজ্ঞার ফলে আমাদের দেশে গরুর মাংশর দাম বেড়ে যাবে স্বাভাবিকভাবেই। মোটেও ভাল খবর না আমাদের জন্য। আর ভারতের বিপুল সংখ্যক মুসলমানদের অবস্থা যে কতটা খারাপ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এক সময়ের মহা পরাক্রমশালী মোঘল সম্ম্রাটদের সামনে ভারতের হিন্দু রাজা-মহারাজারা কুর্নিশ করেও কুল পেতেন না আর সেই দেশে এখন হচ্ছে গরুর মাংশ নিষিদ্ধ! মধ্যযুগীয় মোঘল সম্ম্রাটরাও ওসব বিজেবি-শিবসেনা নেতাদের তুলনায় ধর্মীয় বিষয়ে অনেক উদার ছিলেন।

সম্ভবত সম্ম্রাট আওরংজেবই একটু বেশি গোড়া ছিলেন। ইতিহাস যদি সত্য হয় তাহলে সম্ম্রাট আওরংজেবকে আমি একদম পছন্দ করি না। আপন তিন ভাইকে মেরে আর নিজের পিতাকে বন্দী করে দিল্লির সিংহাসন দখলদারের মুখে ইসলামের বুলি মানায় না।

যাহোক, আমার সবচেয়ে প্রিয় মাংশ হল গরুর মাংশ। কি সুন্দর স্বাদ, গন্ধ আর পুস্টিকর গরুর মাংশ আর সেই মাংশ কিনা অন্ধবিশ্বাসী গোড়া হিন্দুরা নিষিদ্ধ করছে! তালেবান, আলকায়েদা, বোকোহারাম, আইএসআই ইত্যাদিরা যেমন মানবতার শত্রু, মানবতার কলংক বিজেবি-শিবসেনারাও তাই। মহাভারতের উদ্ভট কল্পকাহিনীর উপর নির্ভর করে তারা বাবরী মসজিদ ধবংশ করে দাঙ্গা বাধিয়ে কত মুসললানকে হত্যা করেছিল।

হায়রে মহামতি আকবর, জাহাংগীর, সাজাহান! তোমরা কোথায়, তোমাদের রাজ্যে এ কোন ধরনের জুলুম! ভারতের প্রকৃত ধার্মিক হিন্দরাও মৌলবাদী বিজেবি-শিবসেনা সরকারের ঐ উদ্ভট আইনের ভিক্টিম হচ্ছে।

আমার অনেক হিন্দু বন্ধু আছে, আমি জানি তাদের কাছেও গরুর মাংশ অত্যন্ত প্রিয়। অন্ধবিশ্বাস আর ধর্মীয় গোড়ামীর বিরুদ্ধে যথেস্ট সংখ্যক মানুষ সোচ্চার না হলে ধর্মের নামে অধর্মের আগাছা এভাবেই প্রকৃত ধর্মকে গ্রাস করে। ডঃ মুসা আলী, April 5, 2015. Copyright © www.QuranResearchBD.org

প্রাসঙ্গিক লিংকঃ

>বাংলাদেশিদের গরুর গোশত খাওয়া বন্ধ করতে হবে

> ধর্মের সঙ্গে গরুর মাংসকে মেলানো কেন?’

> ভারতে গরুর মাংস খাই না

> মসজিদ ধর্মীয় স্থান নয়, চাইলেই গুঁড়িয়ে দেয়া যায় : বিজেপি নেতা

> কারে ৪৩৬টি মসজিদ ধ্বংস


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।