শান্তির ধর্ম প্রকৃত ইসলামের উপর একটি অন্যন্য সাধারন ওয়েবসাইট


আবগারি শুল্ক সম্পুর্ন প্রত্যাহার করা উচিত


কয়েক বছর আগেও ব্যাংকে আমানতের উপর মুনাফা পাওয়া যেত ১১-১৩%। তখন ৫০০ টাকা (মধ্যম সাইজের ব্যাংক একাউন্টে)  আবগারি শুল্ক আমানতকারীদের গায়ে খুব একটা বাধত না। এখন মুনাফা পাওয়া যায় ৪-৬% মাত্র যা কয়েক বছর আগের অর্ধেকেরও কম । ঐ সামান্য মুনাফায় আবার দিতে হয় ১৫% ট্যাক্স।

কি করে অর্থমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতিতে ৮০০ টাকা আবগারি শুল্ক বসাতে পারেন! এই ধরনের ব্যক্তি কি করে দেশের অর্থমন্ত্রী হয়? অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে দোষ দিচ্ছে। কিন্তু আর্থিক ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে বোঝানো বা সঠিক পরামর্শ দেওয়ার দ্বায়িত্ব তো অর্থমন্ত্রীর। তবে অর্থমন্ত্রীর ব্যর্থতার দায় প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে কারন প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে নিয়োগ বা অপসারন করতে পারেন – অন্য কেউ না।

প্রধানমন্ত্রীর একজন অর্থ উপদেস্টাও আছেন; তিনি কি কাজ করেন? ওরকম একজন উপদেস্টা পুষতেও তো জনগনের ট্যাক্সের অনেক টাকায় খরচ করতে হয়, নয় কি? দ্রবমুল্যের উর্ধগতির এই সময়ে (মুদ্রাস্ফিতি বিবেচনায় নিলে) এখন ব্যাংকে টাকা রাখা লোকসান হয়ে যাচ্ছে। তার পরেও অনেকেই টাকার নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকে টাকা রাখতে বাধ্য হয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আবগারি শুল্ক কমানো নয়; সম্পুর্ন প্রত্যাহার করা উচিত। তাহলেই “মরার উপর খাড়ার ঘা” থেকে জনগন রেহাই পাবে। আমরা এখানে যা বলছি তা তো রকেট সায়েন্স না; কমনসেন্সেই বোঝা যায়। ধন্যবাদ।

 


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।