শান্তির ধর্ম প্রকৃত ইসলামের উপর একটি অন্যন্য সাধারন ওয়েবসাইট


আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে কি সেজদা দেওয়া যায় না?


আমার মনে হয় আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা দেওয়া যেতে পারে যদি তার খুব একটা প্রয়োজন হয়। কারন পবিত্র কুরআনে একাধিক জায়গায় উল্ল্যেখ আছে এ ব্যাপারে।

মহান আল্লাহ স্বয়ং ফেরেশতাদের আদেশ দিয়েছিলেন আমাদের পিতা আদমকে সেজদা করতে। তাতে তো কোন শিরক হয়নি। শিরক নামক শব্দ অনেকে না বুঝেই এ নিয়ে বিস্তর বাড়াবাড়ি করে।

[2 সূরা আল্ বাকারাহ্ 34] এবং যখন আমি হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলীস ব্যতীত সবাই সিজদা করলো। সে (নির্দেশ) পালন করতে অস্বীকার করল এবং অহংকার প্রদর্শন করল। ফলে সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

[7 সূরা আল আ’রাফ 11] আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরী করেছি। অতঃপর আমি ফেরেশতাদেরকে বলছি-আদমকে সেজদা কর তখন সবাই সেজদা করেছে, কিন্তু ইবলীস সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না।

নবী ইউসূফকে তাঁর ১১ ভাই সেজদা দিয়েছিলেন তাতে তো শিরক হয়নি।

[12 সূরা ইউসূফ 100] এবং তিনি পিতা-মাতাকে সিংহাসনের উপর বসালেন এবং তারা সবাই তাঁর সামনে সেজদাবনত হল। তিনি বললেনঃ পিতা এ হচ্ছে আমার ইতিপূর্বেকার স্বপ্নের বর্ণনা আমার পালনকর্তা একে সত্যে পরিণত করেছেন এবং তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন।…

আমাদের মুসলিম সমাজে বিশেষ কোন ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শনার্থে কদমবুচি করার রেওয়াজ আছে তাও অনেকে নাজেয়েজ মনে করে। শিরকের নামে এ ধরনের বাড়াবাড়ি এবং ভুল  ধারনা পোষন করার কি দরকার আছে? যাহোক, এগুলো আমার ব্যক্তিগত বুঝ ইসলামের বিভিন্ন দিকের উপর।

যারা আমার সাথে একমত নয় তাদের প্রতি আমার পুর্ন ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা রয়েছে। ধর্মের ব্যাপারে বিভিন্ন মত এবং পথ থাকাটা খুবই স্বাভাবিক কারন ধর্ম বিশ্বাসের ব্যাপার, প্রমানের ব্যাপার নয়। তবে ধর্মের নামে যে কোন ধরনের সহিংসতা হল মুর্খতার চরম স্তর যা শান্তিকামী এবং প্রকৃত ধার্মিকদের উচিত কঠোরভাবে দমন করা। ধন্যবাদ।

বি.দ্রঃ এই ওয়েবসাইটে যে সব আর্টিকেল আছে তা বিভিন্ন সময়ে পাঠানো বিভিন্ন লেখকদের নিজস্ব মতামত প্রতিফলিত হয়েছে। ওসব মতামতের জন্য www.QuranResearchBD.org কতৃপক্ষ কোনভাবেই দায়ী নয়।

22-07-16. Copyright © www.QuranResearchBD.org

 


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।